মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

প্রকল্প

প্রকল্প সমূহঃ

বিশেষ গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পঃবিশেষ গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ৬০টি আর্সেনিক নিরাপদ বিভিন্ন ধরনের পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে। ২০১১-২০১২ অর্থবছরে আরও ৩৫টি আর্সেনিক নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন কাজ চলমান আছে।

জিওবি-ইউনিসেফ প্রকল্পঃক) জিওবি-ইউনিসেফ প্রকল্পের আওতায় ২০১০-২০১১ অর্থবছরে ২৫টি বিভিন্ন ধরনের আর্সেনিক নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করা হয়েছে এবং ২৫টি পানির উৎস স্থাপন কাজ চলমান আছে।

খ) জিওবি-ইউনিসেফ প্রকল্পের আওতায় সুজানগর উপজেলায় প্রকল্প শুরু হইতে ৩০টি সরকারী /রেজিষ্ট্রার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন ওয়াটসান সুবিধাদি নির্মাণ করা হয়েছে এবং আরও ২৯টি সরকারী /রেজিষ্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াটসান সুবিধাদি মেরামত করা হয়েছে। এছাড়া বর্ণিত উপজেলায় নিয়োজিত এনজিও জনবল দ্বারা ৩৫টি উপজেলা ওয়াটসান কমিটির সভা, ২৯০টি ইউনিয়ন ওয়াটসান কমিটির সভা, ৩৫১১টি ওয়ার্ড ওয়াটসান কমিটির সভা, ৫২২৫১টি উঠান বৈঠক, ৬৩৮০টি স্কুল ভিজিট, ১২৬০টি টি স্টল সেশন, ১২০০টি ভিডিও শো, ৭০৪৫টি হাত ধোওয়ার ডিভাইস স্থাপন, ৫২২০৩টি পরিবারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য গর্ত তৈরী করা এবং ৯০টি স্যানিটেশন বিষয়ক নাটক প্রর্দশন করা হয়েছে।

গ) জিওবি-ইউনিসেফ প্রকল্পের আওতায় সুজানগর উপজেলার আহম্মদপুর ইউনিয়নের খাঁ-পাড়া গ্রামে মিনি পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই সিষ্টেম নির্মাণ কাজে ১টি পরীক্ষামূলক নলকূপ, ১টি উৎপাদক নলকূপ, ১টি পাম্প হাউজ, ৪.০০ কিঃমিঃ পাইপলাইন, ১টি স্লোস্যান্ড ফিল্টার ও ১টি উচ্চজলাধার নির্মাণ করে আর্সেনিক নিরাপদ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।  এছাড়া সুজানগর উপজেলার আর্সেনিক উপদ্রুত এলাকায় ১১৩৮ পরিবারের মাঝে হাউজহোল্ড ফিল্টার বিতরণ করা হয়েছে।

ঘ) জিওবি-ইউনিসেফ প্রকল্পের আওতায় সুজানগর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে প্রতিটিতে ৭,০০,০০০/- টাকা সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদে প্রদানের মাধ্যমে নলকহপ ও ল্যাট্রিনে স্থাপন কাজের প্রকল্প প্রসত্মাবনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে।।

(ঙ) জিওবি-ইউনিসেফ ( DART) প্রকল্পের আওতায় আহম্মদপুর ইউনিয়নে ২ টি সিডকোপ্লান্ট ও রাণী নগর ইউনিয়নে ২ টি সিডকোপ্লান্ট মোট ৪ টি সিডকোপ্লান্ট নির্মান করা হয়েছে এবং ৪০০ টি পরিবরা আর্সেনিক নিরাপদ পানি পান করছে।

ইউনিয়ন পরিষদ সাপোর্টেড ভিলেজ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই প্রজেক্টঃইউনিয়ন পরিষদ সার্পোটেড ভিলেজ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের আওতায় সুজানগর উপজেলার দূর্গাপুর গ্রামে ৩টি পরীক্ষামূলক নলকূপ, ৩টি উৎপাদক নলকূপ, ১৪.৫০ কিঃমিঃ বিভিন্ন ব্যাসের পাইপলাইন, ১টি উচ্চজলাধার, ১টি পানি শোধনাগার এবং ৫৪০টি গৃহ সংযোগ কাজ সম্পন্ন করে প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে এবং এলাকার জনগণ আর্সেনিক নিরাপদ পানি পাচ্ছে।

জাতীয় স্যানিটেশন (২য় পর্ব) প্রকল্পঃজাতীয় স্যানিটেশন (২য় পর্ব) প্রকল্পের আওতায় ২০১০-২০১১ অর্থবছরে তিন রিং এক স্লাব বিশিষ্ট ১৫৫ সেট ল্যাট্রিন বিনামূল্যে হত দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিতরণ করে এবং দপ্তরীয় জনবলদ্বারা ২৫০ সেট ল্যেট্রিন তৈরী করে স্বল্পমূল্যে বিক্রয় করে কভারেজ বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পাবনা জেলার সুজানগর , ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর পৌরসভায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানি সরবরাহ ও এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পঃIPWSAESP প্রকল্পের আওতায় ২০১০-২০১১ অর্থবছরে সুজানগর, ভাঙ্গুড়া ও চাটমোহর পৌরসভায় ১০টি পরীক্ষামূলক নলকূপ, ৪টি উৎপাদকব নলকূপ, ৩টি পাম্প হাউজ নির্মাণ, ১৩.৬০ কিঃ মিঃ পাইপলাইন ও ১৩টি তারা নলকূপ স্থাপন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ২০১১-২০১২ অর্থ বছরে ১টি উৎপাদক নলকূপ, ২টি পাম্প হাউজ নির্মাণ, ৬.৫০ কিঃমিঃ পাইপলাইন, ১৭টি তারা নলকূপ স্থাপন, ২.৫০ কিঃমিঃ সারফেস ড্রেন নির্মাণ, ১টি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, ৫টি পাম্প স্থাপন, ৫টি অটোভোল্টেজ রেগুলেটর স্থাপন ও ২২৫টি গৃহ সংযোগ কাজ চলমান আছে।

 

স্যানিটেশন বিষয়কঃ

 

১। সুজানগর উপজেলার ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ অর্জন এর অগ্রগতি।
    এ পর্যমত্ম সুজানগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ০৮টি ইউনিয়ন ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ অর্জন 

     করেছে। ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ অর্জনকারী ইউনিয়নের নামঃ

    (ক) দুলাই, তাঁতীবন্দ, আহম্মদপুর, ভায়না, মানিকহাট, সাতবাড়ীয়া, নাজিরগঞ্জ ও হাটখালী।

 

আর্সেনিক দূষণের অবস্থা ও নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমঃ

 

আর্সেনিক জরীপ সংক্রামত্ম প্রতিবেদনঃ

 

উপজেলা/

পৌরসভা পর্যায়ে

ইউনিয়ন /

পৌরসভা

জরীপকৃত ইউনিয়ন/ পৌরসভা/ ওয়ার্ডের সংখ্যা

স্ক্রীনিংকৃত নলকূপের সংখ্যা

আর্সেনিক দুষনযুক্ত

আর্সেনিক দুষনের শতকরা হার

মমত্মব্য

ইউনিয়ন/ওয়ার্ডের সংখ্যা

নলকূপের সংখ্যা

উপজেলা পর্যায়

১০টি

ইউনিয়ন- ১০টি

ওয়ার্ড- ৯০টি

১৭৫৮৪

৩৫৬৭

২০.২৯

বিগত ২০০০ হতে ২০০৫ সাল পর্যমত্ম এই জরিপ কাজ করা হয়।

 

পৌরসভা পর্যায়

 

০৯টি

-

-

-

-

-

 

আর্সেনিক নিরসন বিষয়ক কার্যক্রমঃ

 

(১) আর্সেনিক সমস্যা নিরসনে মনিটরিংসহ অন্যান্য কার্যক্রম চলমান আছে।  জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এযাবৎ ৩৮৫৫ টি আর্সেনিক নিরাপদ পানির উৎস স্থাপন করেছে এবং ২০১১-২০১২ অর্থবছরে ৬০টি  বিভিন্ন প্রকার আর্সেনিক নিরাপদ পানির উৎস স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে।

(৩) পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্রামীণ পানি সরবরাহ প্রকল্পের আওতায় সুজানগর উপজেলার আহাম্মদপুর, আহম্মদপুর খাঁপাড়া ও দূর্গাপুর গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন, বিভিন্ন ব্যাসের পাইপ লাইন এবং গৃহসংযোগ নির্মানের মাধ্যমে আর্সেনিক নিরাপদ পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

(৪) পাবনা জেলার  সুজানগর, ভাংগুড়া ও চাটমোহর পৌরসভায় পাইপড ওয়াটার সাপ­াই এন্ড এনভায়রনমেন্টাল স্যানিটেশন প্রকল্পের আওতায় সুজানগর পৌরসভায় গভীর নলকহপ স্থাপন,  বিভিন্ন ব্যাসের পাইপ লাইন স্থাপন এবং গৃহসংযোগ নির্মানের মাধ্যমে পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় আর্সেনিক নিরাপদ পানি সরবরাহের কাজ চলমান আছে। চলতি অর্থ বছরের মধ্যেই উক্ত প্রকল্প চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

(৫) সুজানগর উপজেলার আহম্মদপুর ও রানীনগর ইউনিয়নে ১১৩৮টি সনো, রিড- এফ ও এ্যলকেন হাউজহোল্ড আর্সেনিক দূরীকরণ ফিল্টার হতদরিদ্র  ও দরিদ্রদের মাঝে  বিতরণ করা হয়েছে এবং  যার মাধ্যমে জনগন নিরাপদ পানি পাচ্ছে। 

(৬) ) জিওবি-ইউনিসেফ ( DART) প্রকল্পের আওতায় আহম্মদপুর ইউনিয়নে ২ টি সিডকোপ্লান্ট ও রাণী নগর ইউনিয়নে ২ টি সিডকোপ্লান্ট মোট ৪ টি সিডকোপ্লান্ট নির্মান করা হয়েছে এবং ৪০০ টি পরিবার আর্সেনিক নিরাপদ পানি পান করছে।


Share with :

Facebook Twitter